Monday, March 12, 2018

নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নিজে দেশেই ফিরে যাচ্ছে সিরীয় শরণার্থীরা


২০১১ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২ মিলিয়নেরও বেশি নিরীহ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে। যদিও ঘরছাড়া মানুষগুলো আবারো ঘরে ফিরতে চায়, কিন্তু কোন শহরই এখনো নিরাপদ নয়। সমগ্র শহরজুড়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে যার অনেক জায়গায় এখনও অবিস্ফোরিত মাইন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।


বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও প্রতিমাসে একটি বিশেষ সংখ্যক শরণার্থী তাদের মাতৃভূমিতে ফিরছে জীবনের তীব্র ঝুকি নিয়ে।

ফিরে আসার কারণ

সাম্রতিক সময়ের কিছু গবেষণা দেখাচ্ছে যে তুর্কি, লেবানন এবং জর্ডানসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে প্রায় ৫ মিলিয়ন সিরিয় নাগরিক আশ্রয় নিয়েছে। শরণার্থী হিসেবে এসব দেশগুলোতে সিরিয়রা চরম সামাজিক বৈষম্য এবং অমর্যাদার শিকার হচ্ছে। এছাড়া তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। প্রায় ৪৩ শতাংশ শরণার্থী শিশু স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। স্থানীয় জনগোষ্ঠী শরণার্থীদেরকে খুব খারাপ চোখে দেখছে এবং সেদেশে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির জন্য শরণার্থীদেরকে দায়ী করছে। ফলে, শরণার্থীরা আশ্রয় নেয়ার দেশের জন্য একটি বোঝা হিসেবে গণ্য হচ্ছে যা যে কোন মানুষের জন্য চরম অবমাননাকর।

এসব পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে শরণার্থীরা তীব্র ঝুকি নিয়ে হলেও নিজ দেশের মাটিতে ফেরত আসতে চাচ্ছে। যদিও তারা জানে যে যেকোন মূহুর্তে তাদের উপর বোমার বৃষ্টি বর্ষিত হতে পারে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক পত্রিকা

No comments:

Post a Comment